মোঃ লিটন হুসাইন: ৬ ডিসেম্বর সংবিধান সংরক্ষণ দিবস উপলক্ষে তালা উপজেলা জাতীয় পার্টির উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকাল ৪টায় তালা উপজেলা জাতীয় পার্টির আয়োজনে উপজেলা জাতীয় পার্টির সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তালা উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি, তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সাংবাদিক এস. এম. নজরুল ইসলাম।তালা উপজেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ জলিল আহমেদ এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন তালা উপজেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মীর কাইয়ুম ইসলাম ডাবলু, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ হাবিবুর রহমান, বি. এম বাবলুর রহমান, সৈনিক পার্টির তালা উপজেলা সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম খাঁ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ আলী বিশ্বাস, শ্রমিক পার্টির নেতা মো. ময়েন উদ্দীন সরদার, ম্যানেজার শেখ আব্দুস সাত্তার, মো. রেজাউল ইসলাম গোলদার, মো. মিজানুর রহমান মোড়ল, জাতীয় ছাত্র সমাজ তালা উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক এস. এম. হাসান আলী বাচ্চু, মো. রেজাউল ইসলাম সানা, মো. আমিনুর রহমান রানা, যুব সংহতির নেতা মো. শফিয়ার রহমান, মো. মতিয়ার রহমান সরদার, মো. ফারুক হুসাইন খান, মহিলা পার্টির নেত্রী নমিতা রানী পাল, মিসেস মোমেনা বেগম ও মিসেস মনোযারা বেগম প্রমুখ।প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষায় রক্তপাত এড়াতে স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ত্যাগ করে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মো. সাহাবুদ্দীন আহমেদের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। এটি দেশের ইতিহাসে একটি অনন্য ও শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের দৃষ্টান্ত হিসেবে অম্লান হয়ে আছে। তিনি আরও বলেন, ক্ষমতা হস্তান্তরের পর এরশাদকে অন্যায়ভাবে কারাগারে পাঠানো হয়। তবুও জেলখানা থেকেই তিনি পাঁচটি আসনে নির্বাচন করে বিজয়ী হন এবং তাঁর দল ৩৫টি আসনে জয় একক ভাবে জয়লাভ করে এবং ৭০টি আসনে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে জাতীয় পার্টি দেশের তৃতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। তাঁর জীবনে কোন নির্বাচনে জনগণ কখনো তাকে পরাজিত হতে দেয়নি। পরবর্তী নির্বাচনেও তিনি ৫ টি আসনে জেল আনায় থেকে নির্বাচিত হন। বাংলাদেশের মানুষের কল্যানে নিবেদিত কাজ করায় উন্নয়ন সুশাসন ও ইসলাম ধর্ম সহ সকল ধর্মের মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষে কাজ করায় মানুষের হৃদয়ের মনি কোঠায় স্থান করে নিয়েছেন পল্লীবন্ধুর খেতাব পেয়েছেন তিনি। তিনি কখনো প্রতি হিংসার রাজনীতি করেননি। সকল দলের নেতাদের সম্মানীত করেছেন। সে কারন পল্লীবন্ধুকে মানুষ আজও ভালবাসেন।
Leave a Reply